প্রকাশকের কথা
মহান আল্লাহপাকের অগণিত শোকর আদায় করছি, যিনি এক অদ্বিতীয়, যার কোন শরীক নেই, যিনি আকাশ মণ্ডল ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা। দরূদ ও সালাম প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স), তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবাগণের প্রতি ।
প্রত্যেক মুসলমানই একথা ভালো করে জানে যে, দুনিয়ায় আল্লাহ াআলার একটি সবচেয়ে বড় নিয়ামত। আল্লাহ তাআলা তাকে হযরত মুহাম্মাদ -এর উম্মত করে সৃষ্টি করেছেন এবং ইসলামের ন্যায় এত বড় একটা নিয়ামত তাকে দান করেছেন বলে প্রত্যেক মুসলমান আল্লাহর শোকর আদায় করে থাকে । এমন কি, স্বয়ং আল্লাহ তাআলাও ইসলামকে মানুষের প্রতি সবচেয়ে বড় ও উৎকৃষ্ট নিয়ামত বলে ঘোষণা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক বলেছেন : “আজ আমি তোমাদের আনুগত্যের বিধান (জীবন বিধান) পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জীবন বিধান হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সূরা মায়েদা : ৩)
'আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের প্রতি এই যে, অনুগ্রহ করেছেন, এর হক আদায় করা তাদের পক্ষে একান্ত কর্তব্য। কারণ যে ব্যক্তি অপরের অনুগ্রহের হক আদায় করে না, সে বড়ই অকৃতজ্ঞ। আর সবচেয়ে বড় অকৃতজ্ঞতা হচ্ছে মানুষের প্রতি আল্লাহ তাআলার এ বিরাট অনুগ্রহের কথা ভুলে থাকা! এখন আপনারা যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন যে, আল্লাহ ভাঙ্গালার অনুগ্রহের হক কিভাবে আদায় করা যেতে পারে? তাহলে আমি ছাত্র উত্তরে বঙ্গব যে, আল্লাহ তাআলা যখন আপনাকে হযরত মুহাম্মাদ তার উর্ধ্বক করে সৃষ্টি করেছেন, তখন পূর্ণরূপে ও খাঁটিভাবে তার অনুগামী মুক্তে পারলেই আল্লাহ ভাআপার এ অনুগ্রহের হক আদায় হবে। আপনাকে যখন 'আল্লাহ তাআলা মুসলিম জাতির অন্তর্ভুক্ত করে সৃষ্টি করেছেন, তখন