2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

2999 টাকার উপরে অর্ডার করলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

আধ্যাত্মিক সূত্রাবলী ও টীকা সমগ্র

Price:
৳600    ৳ 504.00

পেইজ:   608

ওজন:   0.1


লেখক:   

প্রকাশক:   

Charge:
ঢাকা সিটির মধ্যে ডেলিভারি চার্জ 59 টাকা
ঢাকা সিটির বাইরে ডেলিভারি চার্জ 99 টাকা

অ্যাধ্যাত্মিক সূত্রাবলী ২

১. পৌরাণিক সহগ সূত্র

(Mythological coefficient formula)

ভূমিকা (Introduction)

সারাবিশ্বের সব ভাষার শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও মরমী পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময়ে কিছু কিছু পৌরাণিক সংখ্যা দেখা যায়। একই সংখ্যার পরে একাধিক সহগ পরিভাষা দেখা যায়। যেমন; ৩৬০ বছর, ৩৬০ সন্তান, ৩৬০ মূর্তি ও ৩৬০ আউলিয়া ইত্যাদি। এখানে দেখা যায়; ৩৬০ সংখ্যাটি একই রয়েছে কিন্তু সহগ পরিভাষা পরিবর্তন হয়েছে। যেমন; বছর, সন্তান, মূর্তি ও আউলিয়া। জাভিধানিকভাবে এসব পরিভাষার অভিধা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিন্তু ৩৬০ ‘পৌরাণিক মূলক সংখ্যার সহগ হওয়ার কারণে এদের গ্রহণযোগ্য কোনো অভিধাই নেই। এখানে মহাধীমান বলন কাঁইজির একটি সূত্র উল্লেখ করা যায়। সূত্র (Formula)

“যে কোনো ভাষার যে কোনো পরিভাষা, যে কোনো পৌরাণিক সংখ্যার সহগ হলে তার অর্থ উহ্য হয়।”

তাই, ৩৬০ বছর, ৩৬০ সন্তান, ৩৬০ মূর্তি ও ৩৬০ আউলিয়া ঝরা কেবল ৩৬০ সংখ্যার দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বুঝায়। কিন্তু বছর, সন্তান, মূর্তি ও আউলিয়া পরিভাষার কোনো অর্থ বুঝায় না। সেজন্য; কখনই বিশ্বের কোনো ভাষার শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও মরমী পুস্তক-পুস্তিকার ব্যাখ্যা, টীকা, অনুবাদ ও অভিধা লেখার সময়ে পৌরাণিক সংখ্যার সহগ পরিভাষার অর্থ গ্রহণ করা যাবে না। যদি কেউ করে; তবে; তা অবশ্যই ভ্রমাত্মক, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য ।

যেমন; ৫ এর কয়েকটি সহণ পরিভাষা হলো; পঞ্চ অংশ, পঞ্চ অঙ্গ (তন্ত্রে), পঞ্চ অঙ্গ (অয়ুর্বেদ), পঞ্চ অক্ষর, পঞ্চ অক্ষর প্রবাজ, পঞ্চ অক্ষর ব্যুহ, পঞ্চ অক্ষি, পঞ্চ অপূপ, পঞ্চ অপূপযুক্ত, পঞ্চ অবিদ্যা, পঞ্চ অভিষ্ট, পঞ্চ অভিষ্টদাতা, পঞ্চ অর, পঞ্চ অলংকার, পঞ্চ আড্ডা, পঞ্চ আরণ্য পশু, পঞ্চ আশ্রয়, পঞ্চ ইন্দ্রিয়, পঞ্চ উপকরণ, পঞ্চ উপচার, পঞ্চ উপাসক, পঞ্চ ঋতু, পঞ্চ ঋত্বিক, পঞ্চ ঋষি, পঞ্চ ওয়াক্ত, পঞ্চ ওষধি, পঞ্চ কপাল, পুক কপাল পুরোডাশ, পঞ্চ কুল, পঞ্চ কর্ম ইন্দ্রিয়, পঞ্চ কাম, পঞ্চ কাম্য, পঞ্চ কাশিয়া, পরে কুঠরী, পাঞ্চ সৃষ্টি, পঞ্চ কোষ, পঞ্চ ক্রিয়া, পঞ্চ ক্ষণ, পঞ্চ ক্ষিতি, পঞ্চ গতি, পঞ্চ পরা, পঞ্চ জন, পঞ্চ গৌড়, পঞ্চ চন্দ্র, পঞ্চ চিতি, পঞ্চ চিহ্ন, পঞ্চ ছিলে, পঞ্চ জন, পঞ্চ জনপদ, 你 জন, পঞ্চ জাত, পঞ্চ জীব, পঞ্চ জ্ঞানী, পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয়, পঞ্চ ঝর্ণা, পঞ্চতত্ত্ব প তাত্ত্বিক, পঞ্চ ডিক, পঞ্চ তীর্ঘ, পঞ্চত্ব, পঞ্চ দিক, পঞ্চ দীপ, পঞ্চ দেবতা, পঞ্চ দেবীদিক, পঞ্চ দোহ, পঞ্চ দ্বারিকা, পঞ্চ ধাতু, পঞ্চ ধান্য, পঞ্চ কম, পঞ্চ নথ, পঞ্চ নাভি, পঞ্চ নদ, - যা পঞ্চ নারী, পঞ্চ নাশ, পঞ্চ নিম্ন পঞ্চমীকরণ, পদ্ম, পঞ্চ পদার্থ, পঞ্চ দী, শঞ্চ পল্লব পর পাক, পঞ্চ পাক, পঞ্চ পাণ্ডব পঞ্চ পাদ, পঞ্চ পাশ, পঞ্চ পাহাড়, পঞ্চ পিতা, পঞ্চ শিশু, পঞ্চ পূজা, পঞ্চ পুঞ্জিত অখিলি, পঞ্চ প্রধান প্রধান দিক, , পঞ্চ প্রীতি, পঞ্চা প্রেম, পঞ্চবটী, পঞ্চ বর্ণ, পঞ্চ

কা, পঞ্চ বহিরিপ্রিয়, পঞ্চ ा,

বাচা, পঞ্চ বায়ু, কি, পরিশ, পঞ্চ বিশ্ব পঞ্চ দেব, প পঞ্চ ভাব, ডিপি, পী

পঞ্চ



আধ্যাত্মিক বাবদ ২০

সু (Formula)

'পৌরাণিক চরিত্রায়িত গণ্ডা সাঙ্গণী'তে বর্ণিত পরিভাষার ও 'পৌরাণিক সারণী'তে বর্ণিত সংখ্যার সণ নির্মাণ সূত্রকে পৌরাণিক সহগ সূত্র বলে। যেমন গ্রুপ ও পদ্মা এ জাতীয় পরিভাষা নিৰ্মাণ সূত্র।

সহণের প্রকারভেদ (Types of coefficients)

সহগ দুই প্রকার। যথা; ১. পরিভাষা সহগ ও ২. সংখ্যা ।

১. পরিভাষা সহ (Terminology coefficient)

পৌরাণিক ও মন্ত্রর্মীণীতিতে কিছু কিছু পরিভাষা প্রত্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয়। যেমন, চাঁদ, পদ্ম, ফুল ও বায়ু। এসব পরিভাষা শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও মঙ্গসীগীতিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ শব্দাদির পরে বসে; কিন্তু মূল অর্থের পরিবর্তন ঘটায় না। যেমন; শুরু চাঁদ, শুরু পদ্ম, শুরু ফুল ও শুরু বাবু, শিথ্য চাঁদ, শিষ্য পদ্ম, শিষ্য ফুল ও শিষ্য বাবু এবং নয়ন চাঁদ; লক্ষন পদ্ম; নজন যুগ্ম ও নয়ন বাবু।

পৌরাণিক পরিভাষা সহণ সংজ্ঞা

(Definition of mythological terminology coefficient)

যে পরিভাষা শ্বরবিজ্ঞান, পৌরাণিক সাহিত্য ও মরমীগীতির গুরুত্বপূর্ণ শব্দের পার বাসে কিন্তু মূল অর্থের পরিবর্তন ঘটায় না তাকে পৌরাণিক পরিভাষা সহন বলে। যেমন: নয়ন চাঁদ, নয়ন পদ্ম, নয়ন ফুল ও নয়ন বাবু।

যতদূর জানা যায়; পরিভাষা সহগ শব্দ মাত্র ৪টি। যথা, চীন, পদ্ম, ফুল ও বাবু। চাঁদ, শুরু চাঁদ, শিষ্য চাঁদ ও যৌবন চাঁদ ইত্যাদি। পদ্ম, শুরু পদ্ম, শিষ্য পদ্ম, পাদপদ্ম ও যৌবন পদ্ম ইত্যাদি। কুল; শুরু ফুল, শিষ্য ফুল, বনফুল, মনফুল ও যৌবন ফুল ইত্যাদি। বাৰু, জ্ঞান বাবু, মন বাবু, দেহ বাবু ও যৌবন বাবু ইত্যাদি।

২. সংখ্যা সহগ (Number coefficient)

ভূমিকা (Introduction)

সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান, পৌরাণিক সাহিত্যে ও মরমীগীতিতে পৌরাণিক সংখ্যার শেষের সহন পরিভাষা পরিবর্তন হতে দেখা যায়। যেমন; ১৪ ধাম, ১৪ বিবি, ১৪ ভুবন ও ১৫ ভালো ইত্যাদি (আত্মতত্ত্ব ভেদ ৮ম খণ্ড)। এখানে সততই দেখা যায় যে; ১৫ সংখ্যাকে ঠিক রেখে সহপ পরিভাষা পরিবর্তন করা হচ্ছে। যেমন; ধামকে বিথি, ভূষন ও আছে। অথচ এসব পরিভাষার ভিন্ন ভিন্ন অর্থ আছে। পৌরাণিক সংখ্যার সহ বর কারণে, পরিভাষাগুলোর নিজস্ব অর্থের কার্যকারিতা নেই। এখনে ধাম, বি, জাপা এগুলোই পৌরাণিক সংখ্যা সহন পরিভাষা। এভাবে যে কোনো শব্দকেই সহ্য পে করা যত্র সেটা একই পর্যায়েরও হতে পারে, আবার ি

পারে। একই পর্যায়ের হলে হবে; ১৪ আল্লাহ্, ১৪ ব্রহ্মা, ১৪ ঈশ্বর ও ১৫ লা সৃষ্টিকর্তা পর্যায়ের যে কোনো পরিভাষাই হতে হবে।

আবার পাত্র হজ হবে; ১৪ রাজা, ১

ইত্যাদি। অর্থাৎ, যে কোনো পর্যায়ের পরিভাষাই হতে পারে। ১৪

সং

: এখানে রাজা, তারকা, বলো

কোনো অর্থ অরুণ করবে না। কারণ, পি

Contact Us:
Inside Dhaka:
2-3 working days
Outside Dhaka:
3-5 working days
Cash on Delivery :
Available
Refund Rules:
Within 7 DaysView Policy
Payment: